ঢিচক্যাঁও চাটুজ্যে বুমবুম মুখুজ্যে
দেবদাসকে আমি চিনি । আইনের ছাত্র । শরৎচন্দ্রের দেবদাস নিয়ে একটা বাংলা টিভি চ্যানেলের জন্য অনুষ্ঠান বানাতে গিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে […]
দেবদাসকে আমি চিনি । আইনের ছাত্র । শরৎচন্দ্রের দেবদাস নিয়ে একটা বাংলা টিভি চ্যানেলের জন্য অনুষ্ঠান বানাতে গিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে […]
[প্রথমেই একটা অ্যাকশন: ঢিচক্যাও] জগদ্ধাত্রী পুজোর ভাসান। এলাকার সবচেয়ে বড় পুজো রামবাবুর। ভাসানে অনেক লোকজন। সকলেই সিদ্ধি খেয়ে মদ খেয়ে
ডিরেক্টরের ঘরে প্রায় উদভ্রান্তের মতো ঢুকে পড়লো অশোক। ডিরেক্টর খুব মনোযোগ দিয়ে একটা গবেষণাপত্র সম্পাদনা করছিলেন, অশোক কে এভাবে ঢুকতে
ম্যাথুকে অদিতিও দেখেছে। সুঠাম চেহারার এই গোয়ানিজ্ ছেলটার চোখদুটো ভারি লাজুক, বড় বড় অগোছালো চুলগুলো অধিকাংশ সময় মুখের ওপর ছড়িয়ে
সুনীপা মারা গেছে। খবরটা পাবার পর আমরা বন্ধুরা সারাক্ষণই দিবাকরের সাথে থেকেছি। হাসপাতাল থেকে সুনীপার মৃতদেহ নিয়ে আসা, তারপর বুবুন
একটা সোফায় হেলান দিয়ে বসে রয়েছি আমি। ঘামছি। শুধু আমি নয়, আমার মতো আরো অনেকগুলো ছেলেমেয়ে বসে রয়েছে আমার সামনে,
পুকুরের মধ্যে মাছ ধরার জাল পাতা ছিল। পানকৌড়িটা সেটা জানত না। ডুব মেরে আরেকটা মাছ ধরতে গিয়ে আটকে গেল জালে।
চলন্ত ট্রেনে লাফিয়ে উঠতে গিয়ে আরেকটু হলেই পা ফসকাচ্ছিল তারাপদ। বাঁহাতে লজেন্সের প্যাকেট, ভাগ্যিস ডানহাতে গেটের রডটা শক্ত করে ধরতে